Pages

Thursday, 11 April 2013

বিয়ে করলেই কোটিপতি! সুযোগ বাংলাদেশীদেরও


আপনি কি অবিবাহিত? শ্বশুড়ের টাকায় কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? আপনার উত্তর যদি হ্যাঁ সূচক, তাহলে দ্রুত আপনি বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলুন। হংকংয়ের এক ব্যক্তি ঘোষণা করেছেন, তার মেয়েকে যে বিয়ে করবে তাকে তিনি ৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫২২ কোটি টাকা) যৌতুক দেবেন। আরও সুখবর হল, পাত্র যদি গরিব হয় কিংবা হয় বাংলাদেশি অথবা অন্য কোন দেশের নাগরিক, তাহলেও কোন আপত্তি নেই সেই মহানুভব ব্যক্তির।মজার ব্যাপার হল, সিসিল চাও সে সুং নামের ব্যক্তির প্রস্তাব শুনে পুলকিত হয়েছেন তার মেয়ে গিগি চাও নিজেই। তিনি তার বাবার প্রস্তাবকে ‘খুবই মজাদার’ বলে মন্তব্য করেছেন। সিএনএন জানায়, গত সপ্তাহে সিসিলের মেয়ে গিগি প্যারিসে উৎসব করে একজনকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু ওই বিয়েটা মেনে নিতে পারেননি সিসিল। তবে বাবার অভিনব প্রস্তাবে পুলকিত গিগি বলেছেন, তার বাবা তাকে খুবই ভালবাসেন বলে এমন প্রস্তাব দিয়েছেন। গিগি বিয়ের কথাও অস্বীকার করেছেন। তবে শুধু বিয়ে করতে রাজি হলেই যে এতগুলো টাকা পাবেন সেটাই বা হয় কী করে! সিসিল বলেছেন, এই লোভনীয় প্রস্তাব গ্রহণ করে যে তার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হবে তাকে ওয়াদা দিতে হবে, তিনি তার মেয়েকে গভীরভাবে ভালবাসবেন। তার মেয়ের প্রথম বিয়ের কথাটিও তাকে ভূলে যেতে হবে।
এতোটুকু হলে সব ঠিক ছিল কিন্তু যতই লোভ থাকুক আপনি যখন জানবেন তখন একটু হলেও নাক সিটকাবেন, কারণ  প্রথমবার গিগি যাকে ঘটা করে বিয়ে করেছেন তিনিও একজন মহিলা। তার নাম শঁএভ। এর মানে হচ্ছে টাকার লোভে আপনি যাকে বিয়ে করতে চান তিনি একজন লেসবিয়ান !
সূত্র – SAM/ROCKY/MAMUN

জেনে নিন আপনার স্ত্রী কতোটা ঠকাচ্ছে আপনাকে

সম্পর্ক গুলো আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বের।ইদানীং পারিবারিক সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে মতানৈক্য সেই সাথে বাড়ছে বিচ্ছেদ।সময়ের আগেই সতর্কতা পারে এমন উদ্ভট পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে। এখন আর অন্য কোন মাধ্যম নয়,খোদ জেনে নিতে পারেন আপনার লাইফ পার্টনার আপনার সাথে সম্পর্কের বিশ্বাস কতোটুকু রক্ষা করছে।সম্প্রতি দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর সূত্রে জানা গেছে, স্ত্রী ঠকাচ্ছে বা প্রতারণা করছে কি-না, তার কিছু লক্ষণ দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন।বিশেষজ্ঞদের মতে,ফোনকল, বান্ধবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, স্নান ও ব্যায়াম, ঘ্রাণ, চক্ষু যোগাযোগ, এবং যৌন বিচ্যুতির লক্ষণের মাধ্যমে আপনার স্ত্রী সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ফোনকল : ফোনে কথা বলার সময় কণ্ঠস্বর বা খুদে বার্তার কারণে অভ্যাস পরিবর্তন হলে বুঝবেন আপনার স্ত্রী আপনাকে ঠকাচ্ছে। তিনি যদি ফোনে কথা বলার সময় নিচু কণ্ঠস্বর ব্যবহার করেন বা আপনার সঙ্গে প্রথম দেখা করার সময় যেরকম প্রেমের আচরণ করেছেন, সেরূপ আচরণ করেন; যদি মনে হয় তার ফোন অভ্যাসের পরিবর্তন হয়েছে এবং আপনি পরিবর্তন ধরতে পারছেন না, তবে বুঝবেন তার সঙ্গে অন্য কারও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। স্নান ও ব্যায়াম : আপনার স্ত্রী স্নান করে ঘরে ফেরেন, যেখানে আগে দিনে একবারও স্নান করতেন না। অন্যদিকে হঠাৎ করে তিনি ব্যায়াম করা শুরু করেছেন। এর দুটি বিষয় আছে_ ব্যায়াম বৈধ অজুহাত হতে পারে। আবার নতুন প্রেমে আগ্রহ থেকেও হতে পারে। অন্যদিকে শারীরিক সম্পর্কের কারণে তিনি বিকেলে স্নান করতে পারেন। যে স্নান তিনি আগে রাতে করতেন। বান্ধবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ : তিনি যদি আগের তুলনায় তার বান্ধবীদের সঙ্গে বেশি সময় ব্যয় করেন, অনেক বিকেল তাদের সঙ্গে কাটান, যা আগে আপনি দেখতে পাননি; কার সঙ্গে ছিলেন তার উত্তর জানতে চাইলে তার উত্তর আন্তরিক হয়, তবে বুঝবেন আপনার স্ত্রী বান্ধবীদের সঙ্গে নয়, অন্য কারও সঙ্গে বাইরে ছিলেন। ঘ্রাণ : আপনার স্ত্রীর কাছ থেকে যদি নতুন কোনো পারফিউমের ঘ্রাণ পান, যা আগে আপনি পাননি, তাহলে বুঝবেন আপনার স্ত্রী অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছে। চক্ষু যোগাযোগ : তিনি চোখে চোখ রেখে কথা বলা বা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন, যা আগে তিনি কখনোই করতেন না; কিন্তু সরাসরি তার দৃষ্টি আপনি খুঁজছেন। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে চোখে চোখ রেখে মিথ্যা কথা বলা খুব কঠিন। যদি আপনার স্ত্রী আপনাকে মিথ্যা বলে তাহলে তিনি কখনোই আপনার চোখের দিকে তাকাতে পারবেন না। যৌন বিচ্যুতি : আপনার সঙ্গে তার আগের চেয়ে যৌন মিলনে আগ্রহ কমে যায়। যৌন মিলনের সময় তিনি শুধু ভান করছেন। যৌন বিষয়ে আপনি আগে জানতে বা আপনাকে নতুন কৌশল শিক্ষা দিতে চাচ্ছেন। যৌন আচরণে পরিবর্তন হয়েছে। যা নতুন সম্পর্ককে ইঙ্গিত করে এবং ঘরের বাইরেই তিনি তার যৌন চাহিদা পূরণ করেন। অর্থাৎ তার যৌন বিচ্যুতি ঘটেছে। এইসব লক্ষণ থেকেই একেবারে নিশ্চিত হওয়া যায় কিনা সেটা পরের বিষয়।কিছু একটা ভুল হবার আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতা রাখতে নিশ্চয়ই দোষের কিছু না । বিঃ দ্রঃ- প্রিয় পাঠক স্ত্রীর প্রতি লক্ষ্য রাখতে গিয়ে আবার একেবারে সন্দেহ পরায়ন হয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়।মনে রাখবেন সন্দেহ অত্যন্ত ক্ষতিকর একটা রোগ, যা চিকিৎসার অযোগ্য। সন্দেহ পরায়ণতা থেকে মারাত্মক পরিণতি দেখা দেয়।যা শেষ পর্যন্ত মারাত্মক রোগেও পরিণত হতে পারে ।

অভিনব সংবাদঃ “প্রেম টিম”


ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) গঠণ করেছে আসামী ধরার এক অভিনব টিম। আর এ টিমের নাম ‘প্রেম টিম’। এই টিমের কাজ হচ্ছে প্রেমের অভিনয় করে দুর্ধর্ষ ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত আসামীকে ধরা। ইতিমধ্যেই এই টিমটি আসামী ধরার ক্ষেত্রে রেখেছে কার্যকরী ভূমিকা।
এই টিমটি গঠণ করা হয়েছে বেশ কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে। তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছা জানিয়েছে ডিবি।
মাদকতাপূর্ণ কণ্ঠস্বর শুনে সহজেই যে কোন পুরুষ আকর্ষণ বোধ করবে। এ টিমের সদস্যদের কণ্ঠই শুধু সুন্দর নয়, দেখতেও তারা সুন্দরী। তাছাড়া তারা পুলিশের পোশাক নয় হাল ফ্যাশনের পোশাক পরে বাইরে চলাফেরা করে। দেখে কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই এরা পুলিশ। তাদের চুলে হাল ফ্যাশনের কাট, রঙ, রিবন। কথাবার্তায় চটপটে ও চৌকস তারা। অনেক সময় মূল অপরাধী বা পুরো গ্যাংকে ধরার জন্য অপরাধীর সহযোগীর সঙ্গে একাধিকবার দেখা হওয়ার পরও তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। গিফট দেয়া নেয়া করতে হয়। রাতভর মোবাইল ফোনে প্রেমের অভিনয় করতে হয়।চেহারার চেয়ে কণ্ঠ বেশি মিষ্টি -এমন নারী পুলিশ সদস্যদের বেছে বেছে এ টিমে রাখা হয়েছে।
সদস্যরা জানালেন, অপরাধীদের ধরণ বুঝে তাদের সাথে সেরকমের অভিনয় চালিয়ে যেতে হয়। অপরাধী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া হলে তাদের সাথে এক রকমের অভিনয় আবার উচ্চ শিক্ষিত হলে আরেক রকমের অভিনয় করতে হয়। আবার কোন অপরাধী অশিক্ষিত হলে তাদের সাথে গ্রামের মেয়ের মত করে অভিনয় চালিয়ে যেতে হয়।
‘প্রেম টিম’ এর সদস্যরা অপরাধীদের সাথে ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ ক্ষেত্রে বেশিরভাগ ফোন করা হয় রঙ নাম্বার এর দোহাই দিয়ে। তারপর একটু আলাপচারিতার পর পুরুষ অপরাধীরা নিজে থেকেই নাম্বার চেয়ে পরিচিত হতে চান। তারপর আলাপ থেকে প্রেম গড়ে ওঠে। এভাবে এই টিমকে কাজে লাগিয়ে বেশ ভালো সাড়া পাওয়া গেছে অপরাধী সনাক্ত করার কাজে। অনেক সময় মাত্র ৬ মাসের সম্পর্কের পরই ধরা গেছে অপরাধী।
গোয়েন্দা পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম জানালেন, পুলিশের কাজ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা আর সেক্ষেত্রে পুলিশকে নানা কৌশল অবলম্বন করতে হয় বলেই ‘প্রেম টিম’ গঠন করা
●—►সো ভাইয়ারা এখনই সাবধান হয়ে যান। অচেনা মেয়ে কল করে দেখা করতে চাইলে খুশিতে বাকবাকুম হয়ে মাঝ নদীতে তার রুপচর্চা দেখে পাগল হয়ে যাইয়েন না। বলতে পারেন, আমি তো কোনও অপরাধ করিনি। আরে ভাই, বাংলাদেশ পুলিশ যত আষাঢ়ে গল্প সাজাতে জানে তা দুনিয়ার আর কারো ক্ষমতা নেই।
SAM

যেভাবে বুঝবেন আপনি প্রেম করার উপযুক্ত হয়েছেন

যেভাবে বুঝবেন আপনি প্রেম করার উপযুক্ত হয়েছেন :-১..সহজ-সরল বোকা টাইপের কাউকে দেখলেই আমরা গাধা বলে খোচাঁ দেয়।কিন্তু গাধা টাইপের ছেলেদের মেয়েরা অনেক পছন্দ করে।কারণ,চারপায়ে গাধাকে যেমন ইচ্ছা মত চালানো যায় তেমনি গাধা টাইপের প্রেমিককেও ইচ্ছা মত নাকে দড়িঁ দিয়ে ঘোরানো যায়।আপনি যতই চালাক হননা কেন এই গাধার মত খাটতে গিয়ে যা যা করতে হবেঃক..নিজের পড়াশোনা বাদ দিয়ে প্রেমিকার জন্য বন্ধু,বড় ভাইদের হাত পা ধরে নোট সংগ্রহ করতে হবে।

খ..মাছি আর প্রেমিকারর মধ্যে মিল হচ্ছে মাছি বিরত…ীহীন ভাবে ভনভন করতে পারে আর প্রেমিকারা বিরতীহীন ভাবে বকবক করতে পারে।গাধা যেমন মনিবকে পিঠে ছড়িয়ে হাটঁতেই থাকে হাটঁতেই থাকে তেমনি ঘন্টার পর ঘন্টা কোনরকম বিরক্তি প্রকাশ না করে প্রেমিকার বকবক শুনে শোনার ধৈর্য্য থাকতে হবে।
গ..প্রেমিকার মোবাইল নাম্বার বিজি দেখলে কিংবা ওয়েটিং দেখলে প্রেমিকা যা বলবে তাই বিশ্বাস করতে হবে কোন প্রশ্ন না করে।কিন্তু, আপনার মোবাইল নাম্বার বিজি/ওয়েটিং দেখলে আপনার ১৪গুষ্টির এমনকি আপনার পোষা কোন প্রানী থাকলে সে প্রানীর কসম করে বলতে হবে কার সাথে।
২.. আকাশেতে লক্ষ তারা চাঁদ কিন্তু একটারে জনপ্রিয় বাংলা ছবি কুলির এই গানটির মত প্রেমিকারাও চাই প্রেমিক তাকে আকাশের চাদেঁর মতই ভাবুক।ভাবছেন শুধু ভাবলেই কাজ শেষ?উহুঁহু।বাবার মানিব্যাগে,মায়ের আলমারিতে মাঝে মাঝে হাত চালাতে হবে কিংবা টিউশনি করে টাকা কামিয়ে যা যা করতে হবেঃ
ক..মাসে কয়েকবার ভাল রেষ্টুরেন্টে খাওয়াতে হবে।
খ.. প্রেমিকার মোবাইলে টাকা ট্রান্সফার করতে হবে।
গ..জন্মদিন,ঈদ,পূজায়,পহেলা বৈশাখ,ভালবাসা দিবস সহ যত ভালবাসা বিষয়ক দিবস আছে সব দিবসে প্রেমিকাকে গিফট দিতে হবে।
৩ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ওয়েব সাইটে কয়েকমাস আগে একটি ফিচারে দেখা গেছে প্রেমের সর্ম্পকের কারণে কাছের বন্ধুদের সাথে দুরত্ব সৃষ্টি হয় এবং বন্ধুদের সাথে সম্পর্কও নষ্ট হয়।শুধুই কি বন্ধুদের সাথে দুরত্ব সৃষ্টি কিংবা বন্ধুত্ব নষ্ট হয়?আরো অনেক কিছুই নষ্ট হয়।যেমনঃ
ক..প্রেমিকার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা পার্কে দাড়িঁয়ে থাকতে হয়।
খ..রাত জেগে প্রেমিকার ১৪গুষ্টি থেকে প্রেমিকাদের বাসায় কোনদিন ইদুঁর দেখা গেছে কিংবা প্রেমিকাদের বাসার বেড়ালটা প্রেমিকাকে কতটা পছন্দ করে কিংবা প্রেমিকার কোন বান্ধবীটা কেমন ইত্যাদি ইত্যাদি যত সব আজাইরা প্যাচাঁল আছে সব শুনতে হবে ঘুমের তেরটা বাজিয়ে।
গ.. প্রেমিকার সাথে ঝগড়ার কারণে মেজাজ চরম খারাপ থাকার কারণে বাসায় ভাই-বোনের সাথে ঝগড়া হতে পারে।
ঘ.. পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হতে পারে।
উপরোক্ত পয়েন্টগুলো পড়ে কি বুঝলেন ?যদি বুঝে থাকেন আপনি প্রেম করার উপযুক্ত হয়েছেন তাহলে আপনাকে যা না বললেই নয় তা হচ্ছে,এত কিছু করে যে প্রেমিকার জন্য করবেন সে যে কোনদিন বিনা নোটির্শে আপনাকে মূলা দেখিয়ে অন্যের সাথে কবুল বলতে পারে।
SAM

গম্ভীর ছেলেদের মেয়েরা বেশী পছন্দ করে


হাশিখুশি নয়, বরং গম্ভীর ছেলেদের পছন্দ করে মেয়েরা। অন্যদিকে, ছেলেদের ভাললাগার ব্যাপারটি পুরোপুরি বিপরীত, তারা হাশিখুশি মেয়েই পছন্দ করে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যেসব ছেলের চেহারায় গর্ব ও লজ্জার অনুভূতি ফুটে উঠে তারা সহজেই নারী হৃদয় জয় করতে পারে।
গবেষকরা বলেছেন, হাশিখুশি মেয়েদের অনুগত ও অবলা হিসেবে দেখা হয় বলে সম্ভবত ছেলেরা তাদের পছন্দ করে।
অন্যদিকে, গবেষক জেসিকা ট্রেসি বলেছেন, “গর্ব হতে পারে পুরুষের আত্মবিশ্বাস এবং জীবনসঙ্গিনী ও সন্তান ভরণ পোষণ করার মত সামর্থ্যরে ইঙ্গিতবাহী সূচক।”
আর তাই চেহারায় গর্বের ছাপ থাকলে তাকে পছন্দ করে মেয়েরা।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা।
আমেরিকান সাইকোলোজিক্যাল এ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত ‘ইমোশন’ নামক সাময়িকী গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে। আর গবেষণাটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে ‘দ্য হিন্দুস্তান টাইমস’।
গবেষণায় ১ হাজারের বেশি নারী-পুরুষকে এমন কিছু ছবি দেখানো হয় যেগুলোতে বিভিন্ন অভিব্যক্তির চেহারা ফুটে উঠেছে।
এরপর ভাললাগার ভিত্তিতে ছবিগুলোকে নাম্বার দিতে বলা হয়। ছবিগুলোতে কিছু ভাবলেশহীন চেহারাও ছিল।
এরপর দেখা যায়, মেয়েরা সবচেয়ে কম আকৃষ্ট হয়েছে হাশিখুশি পুরুষদের প্রতি। অন্যদিকে, গর্বে যাদের মাথা উঁচু তাদের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে তারা।
এছাড়া লাজুক চেহারার ছেলেদের প্রতিও তাদের আকর্ষণ দেখা গেছে।
PAPPU

প্রেম করলে শরীরও ফার্স্ট ক্লাস থাকে!!!


সত্যিই, প্রেম করলে শরীরও ফার্স্ট ক্লাস থাকে। রিসার্চ বলছে।
সত্যি হোক, মিথ্যে হোক, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করুন, শরীর না সারুক, প্রেমটা তো হবে!
তবু মনে রেখো
এই হরমোনটির নামটি খটমট। ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন। তবে স্বভাবে বড় রোম্যান্টিক। প্রেমে হাবুডুবু খেলেই সে বেদম উৎসাহে শিরায়-উপশিরায় বইতে থাকে। মনটাও তখনই আহ্লাদে ভরে ওঠে। স্নায়ুরাও সতেজ, চনমনিয়ে ওঠে, কর্মক্ষমতাও বেড়ে যায়। আখেরে লাভ হয় স্মৃতিশক্তির। ওই যে! ‘এই ব্যাগটাই তুমি সরস্বতী পুজোর ভাসানের দিন, হলদে সালোয়ারটার সঙ্গে নিয়েছিলে না?’ ‘তুমি এটাও মনে রেখেছ? সো সুইটটট!!!’ সবই প্রেম-হরমোনের দয়া!
ক্যান্সারের অ্যান্সার
জানেন, বিবাহিতদের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার, অবিবাহিতদের তুলনায় বেশ কম। আর আইওয়া ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। ফল বেশ চমকপ্রদ। জরায়ু’র ক্যানসারে আক্রান্ত কয়েক জন মহিলা চিকিৎসায় দারুণ সাড়া দিচ্ছেন। ঘটনাচক্রে এঁরা বিবাহিত জীবনে ভীষণ সুখী। তাতেই নাকি এঁদের শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদনের ক্ষমতা বেড়ে গেছে। এই রক্তকণিকাগুলিই ক্যান্সার কোষদের বাড়াবাড়ি তো বন্ধ করেই, একেবারে খতম করে দম নেয়।
স্ট্রেস গন কেস
ধরা যাক, আপনার ও আপনার সঙ্গী’র সম্পর্ক যারপরনাই মজবুত, অন্তরঙ্গ। নিজেদের নিয়েই মশগুল। তবে আর বাইরের দুনিয়ার টেনশন, চিন্তা-ভাবনায় আপনাদের কী আসে যায়? এক জনের জীবনে কোনও ঝামেলা এলেও সে একা নয়। সঙ্গী পাশে আছে সব সময়। ব্যস, স্ট্রেস বাছাধন জব্দ। আসল ব্যাপারটা বলি। ‘ইন আ রিলেশনশিপ’ হলেই, অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি ভেল্কি দেখায়, শরীরে জন্ম নেয় ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন। এই প্রেম স্পেশ্যাল হরমোনই হল স্ট্রেসের যম। এরই আশীর্বাদে, দু’জনার এই একটাই প্রেমময় জীবন কিন্তু, পরম সুখময় হয়।
নো চিনচিন নো টনটন
প্রেম করলেই মস্তিষ্কের একটা বিশেষ অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই অংশটিই ব্যথা, বেদনা, যন্ত্রণাগুলোকে লাগাম পরিয়ে রাখে। কয়েক দিন আগে, প্রায় ১,২৭,০০ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছিল। জানা গেছে, বিবাহিত মানুষের মাথাব্যথা, পিঠে কোমরে যন্ত্রণা কম হয়। যার বিয়ে যত বেশি পরিতৃপ্তির, তার জীবনে যন্ত্রণা তত কম। এমন পুলকিত, হরষিত দাম্পত্যে, দুঃখ-চিন্তা-স্ট্রেসের জায়গা কই? তা নষ্টের গোড়াই যেখানে নাই, তখন ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা এ সব সমস্যাই বা আসবে কোত্থেকে?
চেঁচিয়ে মাত BP কাত
যাঁরা বিয়ে করে বেজায় সুখী, তাঁদের রক্তচাপটাও নাকি কখনও ঝামেলা করে না। নিজেরা যেমন সঙ্গীর শাসনে চলেন, তেমনি এঁদের রক্তচাপও সব সময়ে নিয়ন্ত্রণে বাঁধা থাকে। তবে যে সব অবিবাহিত মানুষ খুব মিশুকে, প্রচুর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে হল্লা করে দিন কাটান, তাঁদেরও ব্লাডপ্রেশার নিয়ে চিন্তা নেই, বলেছেন বিজ্ঞানীরা।
ও সুইটহার্ট
হিউম্যান কমিউনিকেশন রিসার্চ বলছে, বন্ধু, আত্মীয় বা জীবনসঙ্গীকে নিয়ে সময় কাটান। তাদের সঙ্গে দু’টো ভালবাসার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলুন। তাতে কোলেস্টেরল লেভেল বাড়বে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক বা অন্যান্য কার্ডিয়োভাসকুলার রোগ-ব্যাধিও ধারে কাছে ঘেঁষবে না।
ভাইরাস ভেগে যা
খিটখিটে মনমরা দম্পতিদের থেকে হাসিখুশি সুখী যুগলদের জীবনটাই বেশি আরামের। বলে কী? আরে হ্যাঁ, ওদের চোট-আঘাত লাগলেও নাকি দ্বিগুণ তাড়াতাড়ি সেরে যায়। এমন কী ঠান্ডা লাগা, ফ্লু ভাইরাসও সহজে কাবু করতে পারে না ওদের। সব রকম ‘অসুখ’ ভ্যানিশ। প্রেমের এমনি মহিমা। জানতেন?
ফুটন্ত রক্ত ছুটন্ত রক্ত
কারওর সঙ্গে থাকতে, তার সঙ্গে কথা বলতে দারুণ ভাল লাগছে? মস্তিষ্ক বুঝলেই হৃদয়ে সঙ্কেত পাঠিয়ে দেয়। ওই জন্যেই তো হৃদ্পিণ্ডটি ধকধক করে, খুশিতে বুকের খাঁচায় হার্টটি তুড়ুক তুড়ুক লাফায়। আর বুকের ধুকপুকুনি বাড়লে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনও ভাল হয়। সব জায়গায় রক্ত পৌঁছায় ভাল ভাবে, দৌড়ে দৌড়ে, তাড়াতাড়ি। তখন শরীরের সব কলকব্জাও তেড়ে-ফুঁড়ে কাজ করে।
চিরগ্রিন সভা
ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন বা প্রেম হরমোন ‘অ্যান্টি এজিং’-এর কাজটাও সামলে দেয়। মনে প্রেম থাকলেই শরীরে যৌবন থাকবে। ভালবাসলে এন্ডরফিন হরমোন ক্ষরণ হয় একটু বেশি। তাতে ত্বকে রক্ত চলাচল হয়। ত্বক নরম, মসৃণ থাকে। ফলে বলিরেখা, কুঁচকানো চামড়া থেকেও রেহাই মেলে। ‘ওর’ চোখে সুন্দর থাকতে হবেই, এই মনের জোরটুকু থাকলেই বার্ধক্য হেরে ভূত।
একা বোকা থাকব না
প্রেম নইলে বিমর্ষ চিত্ত। মানুষটি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। সমাজের মূল স্রোত থেকে দূরে সরে যায়। আর একা একা থাকলে, মৃত্যুও সময়ের আগেই হানা দেয়। সত্যি! এতে অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, একা বোকাদের তুলনায়, জোড়ায় জোড়ায় মানুষ অনেক দিন হেসে-খেলে বেঁচে থাকে। তাদের জীবনে কত ভালোবাসা, খালি পরস্পরকে আঁকড়ে থাকা! সেই সুন্দর ভুবনে বাঁচার ইচ্ছেটাই সব অসুখকে হারিয়ে দেয়। সেই ১৯৭৯ সাল থেকে ন্যাশনাল লঙ্গিটিউডিনাল মর্টালিটি স্টাডি এই বিষয়ে গবেষণা করছে। দেখা গেছে, বেশি দিন বেঁচে থাকার রেসে, বিবাহিতরাই চ্যাম্পিয়ন। আর একটি রিসার্চ বলছে, কোনও হাসপাতাল এদের বেশি দিন আটকে রাখতে পারে না, ডাক্তার-বদ্যিও তেমন দরকার লাগে না। একে-অপরকে এরা যত্ন করে, ভালবাসে, ভাল রাখে। তাই অসুখ-বিসুখের বালাই নেই। কম বয়সে ড্রাগের নেশায় চুর হয়ে থাকত, সকাল-বিকেল বারে গিয়ে বসে থাকত, এ রকম লোকজনও বিয়ের পর শুধরে যায়। স্বাভাবিক জীবন কাটায়। এমন নজিরও চার পাশেই প্রচুর পাবেন।

SAM/MAMUN/ROCKY

ভ্যালেন্টাইন্স ডে বৃত্তান্ত

প্রাচীন রোমে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল রোমান দেব-দেবীর রানী জুনোর সম্মানে ছুটির দিন। জুনোকে নারী ও প্রেমের দেবী বলে লোকে বিশ্বাস করত। কোনো কোনো মুনির মতে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস হওয়ার কারণ এটিই। আবার কেউ বলেন, রোমের সম্রাট ক্লডিয়াস ২০০ খ্রিস্টাব্দে দেশে বিয়েপ্রথা নিষিদ্ধ করেন। তিনি ঘোষণা দেন, আজ থেকে কোনো যুবক বিয়ে করতে পারবে না। যুবকদের জন্য শুধুই যুদ্ধ। তার মতে, যুবকরা যদি বিয়ে করে তবে যুদ্ধ করবে কারা? সম্রাট ক্লডিয়াসের এ অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদ করলেন এক যুবক। নাম _ভ্যালেন্টাইন। অসীম সাহসী এ যুবকের প্রতিবাদে খেপে উঠলেন সম্রাট। রাজদ্রোহের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো তাকে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোরবেলা মাথা কেটে ফেলা হলো তার। ভালোবাসার জন্য ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগকে স্মরণ করতে তখন থেকেই পালিত হয় এ দিনটি। তবে এটিও সর্বজন স্বীকৃত নয়। এখানেও দ্বিমত আছে। কারও কারও মতে, প্রাচীন রোমে ভ্যালেন্টাইন নামে একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি রোগীদের প্রতি ছিলেন ভীষণ সদয়। অসুস্থ মানুষের ওষুধ খেতে কষ্ট হয় বলে তিনি তেঁতো ওষুধ ওয়াইন, দুধ বা মধুতে মিশিয়ে খেতে দিতেন। সেই ডাক্তার খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। প্রাচীন রোমে খ্রিস্টধর্ম তখন মোটেও জনপ্রিয় ছিল না। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের শাস্তি দেওয়া হতো। একদিন রোমের এক কারাপ্রধান তার অন্ধ মেয়েকে ভ্যালেন্টাইনের কাছে নিয়ে এলেন চিকিৎসার জন্য। ভ্যালেন্টাইন কথা দিলেন তিনি তার সাধ্যমতো চিকিৎসা করবেন। চিকিৎসা চলছিল। হঠাৎ একদিন রোমান সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে বেঁধে নিয়ে গেল। ভ্যালেন্টাইন বুঝতে পেরেছিলেন, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তাকে মেরে ফেলা হবে। ২৬৯ (কারও মতে ২৭০) খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশে ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তার আগে ভ্যালেন্টাইন অন্ধ মেয়েটিকে বিদায় জানিয়ে একটি চিরকুট লিখেছিলেন। কারাপ্রধান চিরকুটটি দিলেন মেয়েকে। তাতে লেখা ছিল, ‘ইতি তোমার ভ্যালেন্টাইন।’ মেয়েটি চিরকুটের ভেতরে বসন্তের হলুদ ত্রৌকস ফুলের আশ্চর্য সুন্দর রং দেখলো। তার অন্ধ দু’চোখে তখন ঝলমলে আলো। ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ফেব্রুয়ারি ১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে ঘোষণা করেন। সেই থেকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন করছে মানুষ। আরেকটি সম্পূর্ণ ভিন্নমত আছে। এই মতের লোকেরা বলেন, ভ্যালেন্টাইনের সঙ্গে প্রিয়জনকে ভালোবাসার বার্তা পাঠানোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। প্রাচীনকালে মানুষের বিশ্বাস ছিল, ১৪ ফেব্রুয়ারি হলো পাখিদের বিয়ের দিন। পাখিরা বছরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিম পাড়তে বসে। আবার কেউ বলেন, মধ্যযুগের শেষদিকে মানুষ বিশ্বাস করত এদিন থেকে পাখিদের মিলন ঋতু শুরু হয়। পাখিরা সঙ্গী খুঁজে বেড়ায়। পাখিদের দেখাদেখি মানুষও তাই সঙ্গী নির্বাচন করে এ দিনে। কারণ যাই হোক, ভালোবাসা প্রকাশের জন্য এ দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভবত ১৪০০ শতক থেকে ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপন শুরু হয় মহাসমারোহে।

ROCKY